পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

এ বছর উত্তর ভারতের তাপমান এক নাগাড়ে যেভাবে ৪৮–৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে আটকে থেকেছে, তা কিন্তু হুট করে হয়নি। শিল্প বিপ্লবের আগে ১৮৫০ থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের তাপমাত্রা যা ছিল, এখন তা বেড়ে গেছে ১.৫৮ ডিগ্রি! সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা এক ধাক্কায় বেড়ে হয়েছে ২১.০৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস! অথচ মাত্র ৮ বছর আগে, ২০১৬ সালে, এই তাপমাত্রা ছিল ২০.৯৫ ডিগ্রি! ভারতের আবহবিদদের পর্যালোচনায় দেখা গেছে গত দুই দশকে, ২০০১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত দেশের গড় তাপমাত্রা ০.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি হয়েছে মার্চ থেকে জুন মাসে। এ বছর এত বেশি তাপপ্রবাহ স্মরণাতীত কালে দেখা যায়নি।

Read more


একটি ছোট পরিবর্তন (যেমন বননিধন)➤ বড় পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট করে ➤যার ফলে নতুন পরিবর্তন আরও তীব্রভাবে সেই ধ্বংসকে বাড়িয়ে তোলে ➤ অবশেষে সিস্টেমটি “tipping point” অতিক্রম করে পড়ে যায় এক অপ্রত্যাবর্তনীয় সংকটে। তাই বলা যায় –এটি এমন একটি দশাবিন্দু, যেখানে কোন প্রাকৃতিক ব্যবস্থায় ছোট একটি পরিবর্তন ঘটলেও সেটি সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থায় রূপ নেয়। যেমন হিমালয় গ্লেসিয়ার➤ বরফ গলন➤ নদীপ্রবাহ অস্থির➤ ভূমিধস➤উদ্ভিদ ধ্বংস➤ আরও উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বরফের গলন।

Read more


কাঠমান্ডুর 'ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট'–এর বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, গোটা অঞ্চলকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে অজস্র হিমবাহ-হ্রদ। সেখান থেকেই নেপালের এই বিপর্যয়। “হিমালয় কি তবে আমাদের সতর্ক করছে? বারবার করেই জানান দিচ্ছে –বরফের শরীর বদলে যাচ্ছে, পাহাড়ের স্থিতি বদলে যাচ্ছে, নদীর আচরণ বদলে যাচ্ছে। আর আমরা এখনও উন্নয়নের পুরোনো সংজ্ঞাতেই আটকে আছি। বিপর্যয়কারী এই উন্নয়নযজ্ঞকে প্রশ্ন করছি না।

Read more